• বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নরসিংদীতে ট্রেনে কাটাপড়ে কলেজ ছাত্রের প্রাণ গেল নরসিংদীতে ক্লু-লেস চালক হত্যা মামলার ৩ ঘণ্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ২ নরসিংদীর জিআই পণ্য লটকন: প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও কম দামে দুশ্চিন্তায় চাষিরা রায়পুরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত  জমি সংক্রান্ত বিরোধে সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর; আহত ২ রায়পুরায় গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা “ইত্যাদি” অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা: শতাধিক মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় নরসিংদীতে ড্যাবের মানববন্ধন গ্রামের সেই সাধারণ ছেলেটিই আজ অনেকের কাছে মানবিকতার প্রতিচ্ছবি। মন্ত্রিসভার আকার বাড়ার গুঞ্জন; জায়গা পেতে পারেন মঈন খান ও আশরাফ বকুল!

নরসিংদীতে ক্লু-লেস চালক হত্যা মামলার ৩ ঘণ্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ২

Reporter Name
Update : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীতে একটি চাঞ্চল্যকর ওকোন তথ্য প্রমান ছাড়াই হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। মামলা দায়ের মাত্র ৩ ঘণ্টার মধ্যেই ঘটনার সাথে জড়িত  দুইজন গ্রেফতার করেছেন। একই সাথে উদ্ধার করা হয়েছে লুণ্ঠিত বিভাটেকটি ও ৪টি ব্যাটারি।

সোমবার (১৫ জুন) নরসিংদী সদর মডেল থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. কলিমুল্লাহ।

এ সময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিধশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) সুজন চন্দ্র সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আশিকুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল সজীব শাহরীন, মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এআর এম আল মামুন, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মহিদুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি), মো. কলিমুল্লাহ বলেন, নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার চন্দগাতী গ্রামের বর্তমানে নরসিংদী শহরতলীর  টাওয়াদী এলাকায় নুরু মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া আব্দুর রহমানের ছেলে সারোয়ার হোসেন (২২) একজন অটোরিকশা চালক। সে বিভাটেক চালিয়ে জীবিকা  নির্বাহ করেন।

গত শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুর পৌনে তিনটার দিকে সারোয়ার হোসেন প্রতিদিনের মতো টাওয়াদী এলাকার জুয়েল মিয়ার গ্যারেজ থেকে তার মিশুক নিয়ে বের হন। এরপর সে আর বাড়িতে ফিরেনি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

পরবর্তীতে রবিবার দিবাগত রাত (১৪ জুন) রাত সাড়ে ১২টার দিকে নরসিংদী সদর মডেল থানার নজরপুর ইউনিয়নের চম্পকনগর এলাকায় মেঘনা শাখা নদীর বেড়িবাঁধের দক্ষিণ পাশে একটি ঝোপের মধ্যে থেকে সারোয়ারের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।  দুর্বৃত্তরা তার গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে  নৃশংসভাবে হত্যা করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা হাজী রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে নরসিংদী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২৭, তারিখ ১৫ জুন ২০২৬; ধারা ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড।

সম্পূর্ণ তথ্য প্রমাণ ছাড়া মামলা দায়েরের পর নরসিংদী পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ্-আল-ফারুকের নির্দেশনায় নরসিংদী মডেল থানার একটি বিশেষ দল তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় তদন্ত শুরু করে। তদন্তের এক পর্যায়ে মাত্র তিন ঘন্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে পুলিশ এবং ঘটনায় জড়িত দুইজনকে নরসিংদী মডেল থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত বিভাটেকটি ও ৪ ব্যাটারি উদ্ধার করে পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কলিমুল্লাহ।

হত্যাকাণ্ডের পেছনের উদ্দেশ্য এবং ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category