আজ ২৮শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১২ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বছরের প্রথম দিন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা হাতে পেল নতুন বই

নরসিংদী প্রতিনিধি

ই্ংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিনে নরসিংদীতে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে নতুন বই। এসময় অসহায় ও দরিদ্র শিশুদের শীত নিবারনের জন্য তাদেরকে দেওয়া হয় শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) নরসিংদী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন বছরের নতুন বই ও শীতবস্ত্র (কম্বল) তুলে দেওয়া হয়।

জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইনের নির্দেশে তার পক্ষ থেকে শীতার্ত ও অসহায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের জন্য কম্বল প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিসের চাহিদা সম্পন্ন এই সকল শিশুর হাতে নতুন বই ও কম্বল তুলে দেন  বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সম্মানিত সদস্য ও সুইড বাংলাদেশ নরসিংদী শাখার সভাপতি, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আবু কাউছার সুমন এবং সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।

এ সময় বিদ্যালয়ের অধ্যায়নরত হতদরিদ্র ও অসহায় শিশুর  নিবারণের জন্য এমন ২০ জন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীর মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।

নরসিংদী জেলা প্রশাসক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন সরকারের সভাপতিত্বে এবং সহকারী শিক্ষক মুক্তা রানী দাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের ক্লিনিক্যাল ফিজিওথেরাপিস্ট ডা. মো. আব্দুল্লাহ আল রাশেদ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য আবু হেনা মোস্তফা কামাল।

অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

অনুষ্ঠানের অতিথি নরসিংদী সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম নতুন বছরের প্রথম দিন উপলক্ষ্যে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের জন্য বিশাল আকৃতি একটি কেক উপহার হিসেবে নিয়ে আসেন। পরে এই সকল শিশুদের সাথে নিয়ে সেই কেক কেটে সম্বলিতভাবে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়।

এদিকে বছরের প্রথম দিন হাতে নতুন বই পেয়ে খুশি যেন ধরে না এ বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের। এ সময় একেক শিশু একেক রকম ভাবে তাদের খুশির এই মুহূর্তের আবেগ প্রকাশ করতে থাকে। সন্তানের খুশির এই দৃশ্য দেখে অনেক অভিভাবককেই চোখের জল ফেলতে দেখা যায়।

     এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ