আজ ৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার

মোঃ বিলাল হোসেন খান

নরসিংদীতে সেপটিক ট্যাংক থেকে আশরাফুল ইসলাম নামে তিন বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস‍্যরা। শনিবার (১৯ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নরসিংদী শহরতলীর ঘোড়াদিয়া সোনাতলা এলাকার নির্মাণাধীন একটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে ওই শিশু মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত শিশু আশরাফুল একই এলাকার আলফাজ মিয়া ও আম্বিয়া বেগম দম্পতির ছেলে।

পুলিশ ও পরিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালের নাস্তা গেয়ে বাড়ির উঠানে খেলছিল শিশু আশরাফুল। সকাল সাড়ে ১০টার পর তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুজি শুরু করেন তার মা। এক পর্যায়ে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারেন বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দূরের নির্মাণাধীন একটি একতলা বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে এক শিশুর লাশ পড়ে আছে। এসময় স্থানীয়রা ত্রিপল নাইনে ফোন করেন। এতে খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) একেএম শহিদুল ইসলাম সোহাগসহ সদর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা সেপটিক ট্যাংকের ভিতর থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করেন। পরে শিশুটির মা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।

নির্মাণাধীন বাড়িটির প্রতিবেশি জরিনা বেগম জানান, ৮-১০ বছরের এক মেয়ে শিশুকে অপর এক ছোট শিশুকে নিয়ে নির্মাণাধীন বাড়িটির পাশে দাড়িয়ে থাকতে দেখেন। পরে তিনি গোসল শেষে বের হয়ে তার বাড়ির পাশ দিয়ে মেয়ে শিশুটিকে একা দৌড়ে যেতে দেখেন।

শিশুটির মা আম্বিয়া বেগম বলেন, কয়েকদিন আগে পাশের বাড়ির ভাড়াটিয়া ৮-১০ বছরের এক মেয়ের সাথে তার বড় ছেলের কথা কাটাকাটি হয়। এসময় মেয়েটি তার ছেলেকে থাপ্পড় দেয়। শনিবার সকালে ওই মেয়েকে তার বাড়ির পাশে ঘুরতে দেখা গিয়েছিল। বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দূরের নির্মাণাধীন বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে কীভাবে তার ছোট ছেলে গেল তা বুঝতে পারছেন না তিনি।

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) একেএম শহিদুল ইসলাম সোহাগ এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের পর শিশুর মৃত‍্যূর কারণ জানা যাবে যাবে।

     এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ