আজ ৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন বেলাব’র আ’লীগ নেতা এম জহিরুল ইসলাম

আবু বকর ছিদ্দিক

না ফেরার পাড়ি জমালেন নরসিংদীর বেলাব উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বিন্নাবাইদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম জহিরুল ইসলাম। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন)। শনিবার (১৬ জুলাই ) সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে গুরুতর অবস্থায় বেলা ১২ টার দিকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হৃদরোগে ভুগছিলেন।

শনিবার বিকাল ৬ টায় বিন্নাবাইদ বহু মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে এ রাজনীতিবিদকে দাফন করা হয়েছে।

উক্ত নামাজে জানাজায় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও নরসিংদী জেলা আওয়ামী যুবলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য খায়রুল মজিদ মাহমুদ চন্দন,বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য মঞ্জুরুল মজিদ মাহমুদ সাদী, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য খোকন মাহমুদ নির্ঝর, জেলা পরিষদের সদস্য এ্যাড. মোঃ শহিদুল্লাহ শহিদ, উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুজ্জামান ভূইয়া জাহাঙ্গীর,বেলাব উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মোঃ মনিরুজ্জামান খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম,বেলাব উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন ভূইয়া রিপন,উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক, আমলাব ইউপির চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল হাসান, বেলাব উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, এ্যাড.লায়ন শফিকুল ইসলাম শফিক, বিন্নাবাইদ ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম মোস্তফা গোলাপ, বিন্নাবাইদ ইউপির মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাবিবুর রহমান জয়নাল, বিন্নাবাইদ ইউনিয়ন ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি মোঃ মাসুদ হায়দার , পাটূলী ইউপির চেয়ারম্যান মোঃ ইফরানুল হক ভূইয়া জামান, বড়চাপা ইউপির চেয়ারম্যান মোঃ সুলতান উদ্দিন, লোহাজুরী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ রতন মিয়া, বেলাব ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ গোলাপ মিয়া , বিন্নাবাইদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ জাকিরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ ও গণ্যমান্য ব্যাক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, তিনি বেলাব উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বিন্নাবাইদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্বে ছিলেন। (১৯৯৪-২০০৪) পর্যন্ত তিনি বিন্নাবাইদ ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য, (১৯৮৩-১৯৯৩) সালে বাংলাদেশ ছাত্র লীগের সদস্য, (২০০০-২০০৩) সালে বিন্নাবাইদ বহু মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মাননীয় সভানেত্রীর নির্দেশনায় ১৯৯৬ সালে ১৫ই ফেব্রুয়ারী প্রহসনের নির্বাচন প্রতিহত করার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুর্যোগ কালীন সময়ে তিনি নেতা কর্মীদের নিয়ে দলকে এগিয়ে নেন,দুঃসময়ে বহু মামলা, হামলার, শিকার হয়েছেন তিনি।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। তিনি দুই স্ত্রী, ৫ মেয়ে, ২ ছেলে, জামাতা, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

এম জহিরুল ইসলামের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন,মরহুম রজব আলী আহম্মেদ সরকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা এস এম সুহেল রানা সরকার।

এম জহিরুল ইসলামকে হারিয়ে শোকে বিহ্বল দল মত নির্বিশেষে পুরো বিন্নাবাইদ বাসী । সে সাথে বিন্নাবাইদ ইউনিয়ন আওয়ামী পরিবারে নেমে এসেছে শোকের কালো ছায়া।

     এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ