আজ ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ

জুবায়ের আহমেদ জনি

নরসিংদীতে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সোমবার (১৫ আগস্ট) সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে জয় বাংলা চত্তরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন নরসিংদী জেলা প্রশাসক আবু নইম মোহাম্মদ মারুফ খান, পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম, সিভিল সার্জন ডা: নুরুল ইসলাম।

এসময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামজিক দূরত্ব বজায় রেখে আরো পুস্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা লেডিস ক্লাব, নরসিংদী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, অফিসার্স ক্লাব, জেলা ঐক্য ন্যাপ, জেলা শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী।

পরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক আবু নইম মোহাম্মদ মারুফ খান ও পুলিশ সুপারসহ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে দিবসটি পালন করছে। দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহন করেছে।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সূর্য উদয় ক্ষণে দলীয় কার্যালয়সহ অঙ্গ সংগঠনগুলো সকল স্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন। বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত, মিলাদ মাহফিল ও রান্না করা খাবার বিতরণ।

বাদ জোহর জেলার সকল মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। একইভাবে মন্দিরসহ বিভিন্ন উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

বিকেলে প্রশাসনের আয়োজনা শিল্পকলা একাডেমিতে বঙ্গবন্ধু জীবনি নিয়ে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিল্পমন্ত্রী এড. নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এমপি। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলাগুলোতে একই কর্মসূচি পালন করা হবে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব , বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই জঘন্যতম হত্যাকান্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত এবং তার ছেলে আরিফ ও সুকান্তবাবু, মেয়ে বেবি, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর দু’কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান।

মূলত, ‘৭৫ এর ১৫ আগস্ট থেকেই বাংলাদেশে এক বিপরীত ধারার যাত্রা শুরু হয়। বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করে সামরিক শাসনের অনাচারি ইতিহাস রচিত হতে থাকে।

     এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ